English Version

আযানের মর্যাদা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: আযানের মর্যাদা। আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শোনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, সে কয় রাক‘আত সালাত আদায় করেছে তা মনে করতে পারে না। (১২২২, ১২৩১, ১২১৩২, ৩২৮৫; মুসলিম ৪/৮, হাঃ ৩৮৯, আহমাদ ৯৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৮১)

আযানের আওয়াজ উচ্চ করা। وَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَذِّنْ أَذَانًا سَمْحًا وَإِلاَّ فَاعْتَزِلْنَا. ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) (মুআযযিনকে) বলতেন, স্বাভাবিক কন্ঠে সাদাসিধাভাবে আযান দাও, নতুবা এ পদ ছেড়ে দাও।

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান আনসারী মাযিনী (রহ.) হতে বর্ণিত তাকে তার পিতা সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) তাঁকে বললেন, আমি দেখছি তুমি বক্রী চরানো এবং বন-জঙ্গলকে ভালোবাস। তাই তুমি যখন বক্রী নিয়ে থাক, বা বন-জঙ্গলে থাক এবং সালাতের জন্য আযান দাও, তখন উচ্চকন্ঠে আযান দাও। কেননা, জিন্, ইনসান বা যে কোন বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়ায্যিনের আওয়ায শুনবে, সে কিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। আবূ সায়ীদ (রাযি.) বলেন, একথা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট শুনেছি। (৩২৯৬, ৭৫৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৮২)। বিডিটুডেস/আরএ/০৫ জুলাই, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × five =