English Version

এক্স জিএফ- একটি রম্য প্রেমের গল্প

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: পাত্রী দেখতে গিয়ে দেখি পাত্রীর ছোটবোন আমার এক্স গার্লফ্রেন্ড। ব্রেকআপের সময় তাকে বলছিলাম যে তার চেয়ে বেটার মেয়ে বিয়ে করবো। পাত্রী দেখতে এসে মনের মধ্যে একটা জড়তা অনুভব করছিলাম কিন্তু এক্সকে দেখার পরে মনের মধ্যে সাহস পেলাম। তাই পাত্রীকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে লাগলাম। নাক, মুখ, চোখ আর কান তো প্রায় এক্সের মতো দেখতে। মেয়ে যেহেতু ওর থেকে বড় সেহেতু ধরে নেওয়া যায় যে সে এক্স থেকে বেটার। “পাত্রী আমার পছন্দ হয়ছে” হবু শাশুড়ী মানে পাত্রীর মায়ের দিকে তাকিয়ে বললাম। -আলহামদুলিল্লাহ  -জ্বী -তা বাবা বিয়ের দিন তারিখ কি এখনি ঠিক করে ফেলবা? -দু-এক মাস সময় নিতে হবে আম্মু -বাবা আমার ছেলে সন্তান নাই,কোন ছেলের মুখ থেকে এই প্রথম মা ডাকটা শুনে অনেক অনেক ভালো লাগছে।  -আম্মু আপনাকে দেখার পর থেকেই কেমন যেনো একটা অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করছে -এই কথা বলার পরে এক্সের চোখ কপালে উঠে যায়। -আরে আম্মু তুমি আমার মায়ের একদম কার্বন কপি -হা হা হা তাই নাকি?

-হ্যা আম্মু -বাবা তোমাকে দেখে আমার ভালো লাগছে,আমার মেয়ের জন্য এমন ছেলে-ই চাই -কি যে বলেন বলে লজ্জা পাওয়ার ভঙ্গিমা করে -ওকে বাবা,একে চিনছো তো? -না মা  -না বলাতে এক্স রাগী লুকে তাকায় -এটা ঝিনুকের বোন সোহা মানে মানে তোমার একমাত্র শালি -শাশুড়ী মা এটা বলাতে সোহার লুকটা আরো কঠিন হতে থাকে। -এটা-ই সুযোগ, এতদিন আমারে জ্বালা দিছিস এখন তোরে দিমু বইলা,,(মনে মনে) -এই শালি এদিকে আসো -এক্স মানে সোহা কোন কথা বলে না -ঐ শালি কথা বলো না কেন? -মনে হয় লজ্জা পাইছে(শাশুড়ী) -হ্যা আম্মু এটা-ই হবে -ওকে বাবা তোমরা কথা বলো আমি গেলাম। শাশুড়ী মা যাওয়ার পরেই -তোরে এই বাড়ির ঠিকানা কে দিছে?(সোহা) -কিহহহ? -এই সোহানি তুই তোর দুলাভাইয়ের সাথে কি শুরু করলি -এই এত দুলাভাই দুলাভাই করবিনা -এই সোহা তুই যা তো,আকাশ তুমি এই রুমে আসো -না আপু আমি ওরে রুমে ঢুকতে দিবো না  -তুই এসব বলার কে আজিব -ঐটা শুধু তোর একার রুম না, আমারো  -আম্মুকে বলবো? -বল -আম্মুওওওওও

হেলথ টিপস পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

-এই এই থাম,আমি এমনিতে নতুন দুলাভাইয়ের সাথে মজা করছিলাম। -হিহিহি হ্যা শালিটা আমার হেব্বি জিনিস। বলে ঝিনুকের পিছনে পিছনে ঝিনুকের রুমে প্রবেশ করে। ঝিনুক রুমে ঢুকে দরজা অফ করে দেয়। -দরজা অফ করছো কেন?(আকাশ) -আরে আর বইলো না, এটা একটা ফাজিল -হুম জানি -তুমি জানো কেমনে? আগে কোনরকম পরিচয় ছিলো নাকি? -ন নহ নাহ এখন ই তো তুমি বললা আর কতক্ষণ আগে তো নিজেই দেখলাম। -হুম ঝিনুকের সাথে কথা বলে দরজা খুলে দেখি সোহা দরজার কাছ থেকে দৌড় দিছে। -দেখছো তোমার বোন কত পাজি? হবু স্বামী-স্ত্রীর কথা শুনে এটার কথা আর বলিওনা  -আচ্ছা ঝিনুক এখন আসি -ওকে সাবধানে যাইয়ো। -ওকে। । । আকাশ ইংরেজিতে মাস্টার্স কমপ্লিট করে এখন ভালো একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করে। আকাশ আর সোহা দুজনের সম্পর্ক তিন বছর ছিলো,এই তিনবছরে আকাশ আর সোহার মধ্যে কিছু মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং ছিলো।  আকাশ সেগুলো সেক্রিফাইস করলেও সোহা তেমনটা মেনে নিতে পারে না৷ যার কারনে তাদের রিলেশন ব্রেকআপ হয়ে যায়। ব্রেকআপ হওয়ার ২ মাসের মধ্যেই এই কাহিনী।

একদিন রাতে -এই সোহা শোন(ঝিনুক) -কি হয়ছে? -এভাবে কথা বলিস কেন? -তো কিভাবে বলব? -তুই আমার সাথে যা শুরু করছিস যেমন আমি তোর স্বামীর ওপরে ভাগ বসাইছি -বসাইছিস ই তো -কিহহ? -আরে আজকে না তোদের বাহিরে যাবার কথা? -আমি একা যাবো? -তাহলে কি আমি যাবো? -হ্যা চল -পাগল হয়ে গেছিস নাকি? বিয়ে তোর আর আমি তোদের ডেটিংয়ে যাবো -তুই ছাড়া আমার আর কে আছে? তোকে ছাড়া আমি কোথাও যেতে পারবোনা  -হয়ছে আর ঢং করতে হবেনা  -ঝিনুক(মা) -হ্যা মা বলো -আজকে না আকাশের সাথে বাহিরে বেড় হওয়ার কথা? -হ্যা -তাহলে যাচ্ছিস না কেন? -আমি একা যেতে পারবোনা, এই সোহা আমার সাথে চল -নাহ আমি যাবো না  -এই সোহা যা তো -সোহা তখন ইচ্ছা না থাকা সত্তেও ঝিনুকের সাথে করে যায়। আকাশের সাথে মিট হওয়ার পরে -ঝিনুক এই মেয়ে তোমার সাথে ওয়াশরুমেও যায় নাকি? -সোহা তখন…….. চলবে নাকি…..। বিডিটুডেস/আরএ/১১ জুলাই, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × 1 =