English Version

করোনার বড় চিকিৎসা অক্সিজেন, এন্টিবায়োটিক ও ফিজিওথেরাপি: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: করোনা আমারও হয়েছে অনেকে মারা গেছে আমি বেঁচে আছি এর কারনটা কি? কারনটা হচ্ছে সেবা, নিয়মিত সেবা পাওয়া, অক্সিজেন পাওয়া, করোনার সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হলো অক্সিজেন তারপরে এন্টিবায়োটিক তারপরে ফিজিওথেরাপি, ফিজিওথেরাপিতে বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে ফুসফুসে জমে যাওয়া কফ বের করা, এক্সারসাইজ করা।

প্রাথমিক অবস্থায় বাড়িতে চিকিৎসা করলে করোনা শতভাগ নিরাময় হয়। আর হাসপাতালে সেটা (৮০-৯০) শতাংশ। তবে খরচ হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর আইসিইউতে যদি গেছো, তবে গলা কাটা।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনায় দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে শুক্রবার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকে এসময় আক্ষেপ করে বলেন,করোনা পরীক্ষার জন্য র‌্যাপিড টেস্ট কিটের কাঁচামাল আমদানির জটিলতা এখনো কাটেনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিটের জন্য পর্যাপ্ত কাঁচামাল আনতে না পারায় গবেষণা চালিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আপনার যত জায়গায় ইচ্ছা পরীক্ষা করান। কিন্তু আমাকে তো গবেষণার সুযোগ দিতে হবে। সারা পৃথিবীতে এই কাঁচামালের স্বল্পতা রয়েছে। আমরা আরও ৬ মাস আগে বুক করে রেখেছি। কিন্তু তাদের অথরাইজেশন লেটার না থাকার কারণে এখনো আনতে পারিনি।’

করোনা থেকে সুস্থ হওয়া ৭৯ বছর বয়সী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন। করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের দাম নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ধাপ্পাবাজি বন্ধ করেন। ১ হাজার লিটার অক্সিজেনের দাম পড়ে ৭০ টাকা। কিন্তু তাঁরা আদায় করছে ৭ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিটে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পরে নিজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ১৩ জুন করোনা জয় করেন, বর্তমান করোনা পরবর্তী জটিলতার চিকিৎসা নিচ্ছেন নিজ হাসপাতালেই, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকরা প্রতিদিন দুইবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি নির্দেশিত গাইডলাইন অনুযায়ী করোনা পরবর্তী শক্তিবৃদ্ধিকারক থেরাপি দিচ্ছেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। সূত্র: বাংলাভিশন, বিডিটুডেস/এএনবি/ ১১ জুলাই, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

2 × 2 =