English Version

গুরুদাসপুরে রসুনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

শাকিল আহম্মেদ, (গুরুদাসপুর) নাটোর: সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত রসুন। রসুনের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে এখন সোনার হাসি। আমন ধান কাটার পরই কৃষকেরা রসুন চাষের জন্য জমি তৈরি করেন। এরপর রসুনের কোয়া জমিতে পুতে দেন। রসুনের কোয়া জমিতে পুতে দেওয়া হয়ে গেলে খড় ও নাড়া দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় ক্ষেত।

কিছুদিন পরেই খড় ও নাড়ার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে সবুজ রসুনের চারাগাছ। এরপরে সঠিক পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চাষ হয় রসুনের। মাঠ থেকে সংগ্রহ করার পরে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিনটি গ্রেডে ভাগ করা হয় রসুন । এরপরে বিক্রির জন্য বাজারে নেওয়া হয় এই রবি শস্য।

দেশের সর্বাধিক রসুন উৎপাদনকারী জায়গা হিসাবে পরিচিত গুরুদাসপুর উপজেলা। এ মৌসুমেও ব্যাপক হারে রসুন চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। সেচ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবার উপজেলায় বাম্পার ফলনের মাধ্যমে কৃষকরা লাভবান হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

খুবজীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের রসুন চাষী মামুনুর রশিদ বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে রসুনের বীজ, বীজ বপন, সার,কীটনাশক, শ্রমিকদের মজুরী,বিচালী সব মিলে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ভালো দাম পেলে প্রতি বিঘা জমির রসুন ৮০-১০০০০০ টাকায় বিক্রি হবে। এতে বিঘা প্রতি ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ থাকবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল করিম জানান, এবার ৫ হাজার ৬৫০ হেক্টর কৃষি জমিতে রসুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাতে সম্ভাব্য উৎপাদন ধার্য্য করা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিকটন। গত বছর ৫ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে ৪১ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন রসুন উৎপাদিত হয়েছিল। বিডিটুডেস/এএনবি/ ৩১ মার্চ, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

17 − twelve =