English Version

চৌগাছায় বলু মেলার শেষ সময়ে ফার্ণিচারের দোকানে ভিড়

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

আব্দুল আলীম, চৌগাছা: যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা গ্রামে ঐতিহ্যবাহী পীর বলুহ দেওয়ানের মেলার আজ ১০ দিনপার হচ্ছে। প্রতিবছর ভাদ্র মাসের শেষ মঙ্গলবার মেলা শুরু হয়ে তা একাধারে ৭দিন চলে। আর শেষ সময়ে মানুষের সংসারের চাহিদা মেটাতে ভিড় করছে আসবার পত্রের দোকানে। মেলায় দুইটি বিলাশ বহুল কাঠের পালঙ্ক এসেছে যার এক একটির দাম সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা দাম হাকানো হয়েছে। প্রতিদিনই শত শত লোক ভিড় করছে এই পালঙ্ক দেখার জন্য। মেলা শেষ কিন্তু বিক্রেতা একটি পালঙ্কও বিক্রয় করতে পারিনি। তবে বিক্রেতা জানান, আগামী দুই এক দিনের মধ্যে বিক্রয় হতে পারে।

সরেজমিন আজবেলা ১১ টায় মেলার বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ার-টেবিল, খাট-পালঙ্ক, সোফা, সোকেজ, আলমারির দোকান গুলোতে চলছে উপচে পড়া ভিড়। মেলা শেষ তাই এমন ভিড়। তবে অন্য সব বছরের তুলনায় এবার আসবাব পত্রের দোকানে বেচা-কেনা কম। কুষ্টিয়ার আল-আমিন নামের এক স্টিলের ফার্ণিচার ব্যবসায়ী জানান, মেলার প্রথমে আমাদের ভিড় না থাকলেও এখন অনেক ভিড়। মেলা শেষের পথে তাই, মানুষের সংসারের চাহিদা মেটাতে ভিড় করছে আমাদের দোকানে।

স্বাস্থ্যের খবর জানুন

ফরিদপুরের আব্দুল আজিজ নামের এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের বেচা-কিনা মোটামুটি শুরু হয়ে গেছে, মাল বেচা-কিনা করে যা থাকে সে গুলো লালনের মেলায় নিয়ে যাবো। উপজেলার বড়খানপুরের শরীফ মোহাম্মদ বনী আলীম বলেন, মেলায় শেষ সময়ে একটু ভিড় কম হয় এজন্য আজ আমি এসে পছন্দমতো একটা কাঠের আলমারি কিনলাম। তবে অন্যসব বছরের তুলনায় এবার কাঠ ও স্টিলের তৈরি ফার্ণিচার ছিলো চোখে পড়ার মতো কিন্তু সে হিসাবে বেচা-কিনা তুলনা মূলক অনেক কম হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতি বাংলা সনের ভাদ্র মাসের শেষ মঙ্গলবার এ অঞ্চলের প্রখ্যাতপীর বলুহ মেলা শুরু হয়। অতীতে মেলা মঙ্গলবারে শুরু হয়ে তা একাধারে তিনদিন চলতো। তবে পরে প্রতিবছরই ৩ দিনের পরিবর্তে মেলা ৭ দিন চলতো। যুগযুগ ধরে পীর বলুহ দেওয়ান (রহ.) এর মাজারকে ঘিরে এই মেলা বসে। বর্তমানে ফার্ণিচার বিক্রেতাদের বেচা-কেনা এবং ক্রেতাদের অধিক ভিড়ের জন্য অনুমতি নিয়ে মেলার সময় একেক বছর বেড়ে একেক রকম হয়। এবারকার মেলার আজ ১০ দিন। এই শেষ দিকে ক্রেতাদের ভিড়ের কারনে মেলার শেষ কবে বলে পারা যাচ্ছে না। বিডিটুডেস/এএনবি/ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

13 − 4 =