English Version

ডোমারে ঘাতক ট্রাক্টর খেয়ে ফেলছে রাস্তাঘাট

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

হরিদাস রায়, ডোমার (নীলফামারী): ডোমারে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে রাস্তা-ঘাটে অবৈধভাবে ট্রাক্টর চলাচল করায় ভেঙ্গে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মূল্যবান রাস্তা-ঘাট। ক্ষতি হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর ব্যাহত হচ্ছে উন্নয়ন কাজ। ট্রাক্টরের কারণে গ্রামের রাস্তাগুলো ভেঙ্গে চলাচলের অযোগ্য হওয়ার পাশাপাশি রাস্তাগুলো বিলিন হয়ে যাচ্ছে।

ইটভাটার মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত অবৈধ যান ট্রাক্টরের চাকার আঘাতে বেহাল হয়ে পড়েছে ডোমার উপজেলার বিভিন্ন সড়ক। ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, যানবহন, পথচারী ও এই এলাকার মানুষজন। অতিরিক্ত ওজনের মাটি, ইট নিয়ে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক ট্রাক্টর সড়কে চলাচল করছে। এ কারণে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা সড়কগুলো খানাখন্দের সৃষ্টিসহ বেশিরভাগ রাস্তা ভেঙ্গে পরেছে।

কৃষিকাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর সড়ক-মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও সকলকে ম্যানেজ করে অবাধে চলছে এসব যান। সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রাক্টরগুলো। রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে যাওয়ায় ডোমার শহরটি ধুলার শহরে পরিণত হয়ে গেছে। তাছাড়া প্রধান সড়কে সকাল থেকে রাত অবধি ট্রাক্টর চলাচলের কারণে হুমকির মুখে পরেছে শহরের রাস্তাগুলোও।

তাছাড়া রাস্তায় প্রচণ্ড বেগে ট্রাক্টর চলাচল করায় স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনশঙ্কায় ভুগছে। শহরের মধ্যে প্রচণ্ড বেগে ট্রাক্টর চলাচল করায় রাস্তার পাশে অবস্থিত স্কুল, মাদ্রাসা ও কিন্ডার গার্টেনের কোমলমতি শিশুরা যে কোন মুহুর্ত্তে পরতে পারে দুর্ঘটনায়। কিছুদিন আগে যে রাস্তাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে ট্রাক্টর চলাচল করায় বেশিরভাগ রাস্তা ভেঙ্গে চলচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর হলেও বর্তমানে বালু, ইট, মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে এসব যান।

জমির মাটি কেটে বিভিন্ন প্রতিষ্টানের পাশাপাশি ভাটাগুলোতে মাটি দেওয়ার কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে রাস্তার ঘাতক এই টাক্টর। অতিরিক্ত ভারবাহী এসব যানবাহনের চাপ গ্রামীণ সড়কগুলো সইতে পারছেনা। এ কারণে সড়কগুলোর বেশিরভাগ জায়গা বড় বড় গর্তও সৃষ্টি হয়েছে।

ডোমার ছায়াপাড়ার শাওন ও রকি বলেন, ইটভাটার মাটি বহনের ট্রাক্টরে কোটি কোটি টাকার সড়ক নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া মারাত্মক শব্দদুষণ ও ধুলাবালির কারণে সড়কসংলগ্ন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিডিটুডেস/এএনবি/ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

fifteen + two =