English Version

দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনির নামকরণ যেভাবে হলো!

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: সূর্য থেকে গ্রহগুলোর উৎপত্তি হবার পরে সেগুলো ধীরে ধীরে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে আসে এবং সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা শুরু করে। গ্রহগুলোর মধ্যে যে চারটি সূর্যের কাছাকাছি অবস্থিত, তাঁরা কঠিন স্থলজ গ্রহ হিসেবে রুপান্তরিত হয়। আর দূরের চারটি গ্রহ “জোভিয়ান দানব” হিসেবে রয়ে যায়! দানব এজন্যে বলা হয়, কারণ এরা স্থলজ গ্রহগুলো থেকে আকারে অনেক বড় হয়। আর জোভিয়ান বলার কারণ এদের প্রকৃতি বৃহস্পতি বা জুপিটার গ্রহের মতো।

১৯৩০ সালে প্লুটো আবিষ্কার হবার পর থেকে সবাই জেনে এসেছে এই সৌরজগতের গ্রহের সংখ্যা ৯টি। কিন্তু ২০০৬ সালে International Astronomical Union একে প্রাথমিক গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার পর প্রধান গ্রহের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮টি তে। তবে ২০১৬ তে নবম আরেকটি গ্রহের অস্তিত্বের ব্যাপারে নিদর্শন পাওয়া যায় কিছু। আমাদের সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে কাছে থেকে দূরে ক্রমানুসারে গ্রহগুলোর নাম লিখলে পাওয়া যাবে মার্কিউরি (বুধ), ভিনাস (শুক্র), আর্থ (পৃথিবী), মার্স (মঙ্গল), জুপিটার (বৃহস্পতি), স্যাটার্ন (শনি), ইউরেনাস ও নেপচুন।

এবারের পোস্ট স্যাটার্ন (শনি) নিয়ে সংক্ষেপে লিখবো ও এর নাম কিভাবে রাখা হল তা জানানোর চেষ্টা করবো।

স্বাস্থ্যের খবর জানুন

শনি বা স্যাটার্ন সৌরজগতের ষষ্ঠ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি আমাদের সৌরজগতের অন্যতম বিখ্যাত গ্রহ এর বলয়ের কারণে! ১৬০০ শতকের শুরুতে যখন গ্যালিলিও গ্যালিলেই একে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন তখন তিনি ভেবেছিলেন এর অংশ তিনটি! এর ৪০ বছর পর ক্রিস্টিয়ান হাইগেন্স বলেন এই গ্রহে বলয় আছে। বলয়ের উপাদান হচ্ছে পাথর ও বরফের মিশ্রণ।

কিভাবে এই বলয় সৃষ্টি হয়েছে সে ব্যাপারে বিজ্ঞানিরা পুরোপুরি নিশ্চিত না। এর অসংখ্য উপগ্রহ (অন্তত ৬২টি) রয়েছে, যাদের নাম রাখা হয় নানা টাইটানদের নামে। স্যাটার্ন হচ্ছে জুপিটারের বাবা যাকে গ্রীকরা বলে ক্রোনাস। তিনি ছিলেন একজন টাইটান, যাকে জুপিটার ও তাঁর ভাইয়েরা মিলে বন্দী করে রাখেন। বাংলায় শনি হলেন হিন্দু ধর্মের একজন দেবতা যিনি সূর্যদেব ও তাঁর পত্নী ছায়াদেবীর পুত্র, এজন্য তাঁকে ছায়াপুত্র-ও বলা হয়। তিনি মৃত্যুর দেবতা যমরাজের বড় ভাই। শনি ও প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত সবার কাছে। এর ব্যাস ১,২০,৫০০ কিলোমিটার। সাড়ে ১০ ঘণ্টায় এক দিন হয় এখানে আর এক বছর হতে সময় লাগে ২৯ বছর ৫ মাস। পৃথিবীর থেকে এর অভিকর্ষ টান সামান্য বেশি। বিডিটুডেস/এএনবি/ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

five × 1 =