English Version

নওগাঁয় একই জমিতে পেয়ারা ও মাল্টার সমন্বিত চাষ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

জি এম মিঠন, নওগাঁ: কৃষিখাতে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন নিয়ে নওগাঁর সাপাহারে একই জমিতে পেয়ারা ও মালটা চাষে উদ্যেগ নিয়েছেন মাইপুর গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে ইসমাইল হোসেন। একান্ত সাক্ষাতকারে কৃষক ইসমাইল হোসেন প্রতিবেদকদের জানান, একই জমিতে পেয়ারা ও মাল্টা চাষের জন্য তিনি তার মামা রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হন।

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি উপজেলার মাইপুর গ্রামে তার নিজস্ব ৭০ শতাংশ জমির উপর ৪০০টি পেয়ারা গাছ ও ২০০টি মালটা গাছের সমন্বয়ে তৈরী করেন পেয়ারা ও মালটার বাগান। ৬ মাস আগে রোপিত গাছগুলো বর্তমানে বেশ বড়ো হয়ে ফল ধরার উপযোগী হয়েছে। এরই মাঝে বেশ কিছু গাছে মালটা ও পেয়ারা দেখা গেছে। এর আগে ওই কৃষক প্রায় ২০ বিঘা জমিতে আমবাগান লাগিয়ে বেশ স্বাবলম্বী হয়েছে। পরবর্তী সময়ে কৃষিখাতে নতুনত্ব আনার জন্য স্বল্প জায়গায় বিভিন্ন প্রকারের ফল ও ফসলাদী ফলাবার জন্য নিরলস প্রচেষ্ঠা করে যাচ্ছেন।

স্বাস্থ্যের খবর জানুন

পেয়ারা ও মালটা বাগানের পরিচর্যার জন্য তিনি নিয়মিতভাবে সাপাহার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দিন বদলের জন্য। এই ধরণের সমন্বিত বাগানে কি ধরণের লাভবান হবেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যে জায়গা জুড়ে তিনি এই চাষ করেছেন সেটা যদি অন্য কোন একক ফলের গাছ চাষ করতেন তাহলে সে মুনাফাটা হতে পারতো একমূখী।

কিন্তু এই ধরণের সমন্বিত চাষে দ্বিমুখী মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। ইসমাইল হোসেনের এই সমন্বিত চাষের বিষয়ে যদি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাকে উন্নত ফর্মূলা ব্যাবহারে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাবস্থা করেন তাহলে সে কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে সে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। বিডিটুডেস/এএনবি/ ১৮ জানুয়ারি, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 + 14 =