English Version

পরকীয়া অপরাধ নয়, শুনেই বন্ধুর গলায় কোপ মারল যুবক

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে পরকীয়া অপরাধ নয়। কিন্তু পরকীয়ার ঘটনা প্রকাশ পেলে কী পরিণতি হতে পারে। তার সাক্ষী রইল পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না। বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়ার কথা জানতে পেরে বাধা দিতে গিয়েছিল স্বামী। বন্ধুকে বলেছিল তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসতে। উত্তরে শুনতে হয়, ‘পুলিস–আদালত করেও কিছু লাভ হবে না। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে পরকীয়া অপরাধ নয়।’ আর তাতেই রাগে ফেটে পড়ে স্বামী। সেই রাগের বশে বন্ধুর গলায় ছুরি চালিয়ে দেয় সে। আপাতত শ্রীঘরে স্বামী।

রায়না থানার ভগবতীপুরের শ্রীমন্ত রায় জানতে পারে, তার স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধু ত্রিদীপ রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। স্ত্রী ও বন্ধুকে বাধা দিতে যায় সে। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাতে রায়নার ধারান এলাকার শিবতলায় ত্রিদীপের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শ্রীমন্ত। সেখানে বন্ধু ত্রিদীপের কাছে তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে অনুরোধ করে সে। কিন্তু ত্রিদীপ সম্পর্ক চালিয়ে যাবে বলে সাফ জানিয়ে দেয় শ্রীমন্তকে। বলে, পুলিসে গিয়েও কোনও লাভ হবে না।

 

কারণ সুপ্রিম কোর্ট পরকীয়াকে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে। এরপরই দু’‌জনের মধ্যে বচসা বাধে। বন্ধুর এই অপমান সহ্য করতে পারেনি শ্রীমন্ত। আচমকা তার পকেটে থাকা ছুরি বের করে ত্রিদীপের গলায় কোপ বসিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ত্রিদীপ। তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

ইতিমধ্যে পুলিসের দ্বারস্থ হন জখম যুবকের বাবা অমল রায়। পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস। সোমবার রাতেই বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত শ্রীমন্তকে। মঙ্গলবার তাকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ধৃতকে তিনদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আজকাল অবলম্বনে, বিডিটুডেস/আরএ/০৩ অক্টোবর, ২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

9 − 9 =