English Version

বসবাসের জন্য ঘর তৈরি করা হচ্ছে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: চাঁদ অথবা মঙ্গল গ্রহে বসবাস উপযোগী ঘর বানিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি ডিজাইন ও স্থাপত্য সংস্থা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মহাকাশচারীদের জন্য ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিংয়ে ঘর বানিয়ে পুরস্কার হিসেবে পাঁচ লাখ ডলার জিতে নিয়েছে ‘এ.আই. স্পেস ফেক্টরি’ নামের সংস্থাটি। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি। চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহ আবিষ্কারের পর দূর গ্রহকেও মানুষের বসবাস উপযোগী করে তুলতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

সেই প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে মহাকাশচারীদের থাকার জন্য সম্প্রতি বাড়ি নির্মাণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ইলিনয়ে অনুষ্ঠিত ঐ প্রতিযোগিতায় পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে বিজয়ী হয় নিউইয়র্কভিত্তিক ডিজাইন এন্ড আর্কিটেকচার প্রতিষ্ঠান ‘এ.আই. স্পেস ফেক্টরি’। প্রতিযোগীদের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল মঙ্গলে পাওয়া যায় এমন পদার্থ দিয়ে মানুষের বসবাস উপযোগী গৃহ নির্মাণ। পুনরায় ব্যবহার উপযোগী ও পঁচনশীল আগ্নেয়গিরিজাত শিলার বায়োপলিমার দিয়ে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারে মহাকাশচারীদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে এ.আই. স্পেস ফেক্টরি’র সদস্যরা।

হেলথ টিপস পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

অন্যদিকে, কাস্টমাইজড কনক্রিটের মিশ্রণ ব্যবহার করে পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির দলটি। দশ ঘণ্টাব্যাপী কর্মযজ্ঞের পর দলগুলোর নির্মিত বাড়ি পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন নাসার কর্মকর্তারা। ধোঁয়া দিয়ে বাড়ির ছিদ্র পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ওজন সংক্রান্ত পরীক্ষা করেন তারা। বাড়িগুলোর স্থায়ীত্বও পরীক্ষা করেন বিজ্ঞানীরা। আর এ পরীক্ষাতেই উৎরে যায় এ.আই. স্পেস ফেক্টরি। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি দলের বানানো বাড়িটি ভেঙে গেলেও অক্ষত থাকে স্পেস ফেক্টরি নির্মিত বাড়িটি। বিজয়ী দল হিসেবে পাঁচ লাখ ডলার পুরস্কার জিতে নেয় এ.আই. স্পেস ফেক্টরি। দ্বিতীয় স্থান নিয়ে ২ লাখ ডলার পায় পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি। মহাকাশে বসবাস উপযোগী বাড়ির পাশাপাশি পৃথিবীতেও টেকসই গৃহ নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিং চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে নাসা। বিডিটুডেস/আরএ/১৪ মে, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nineteen − 14 =