English Version

ভারতকে ট্রাম্পের চাপ!!

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: আবারও ভারতের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে টুইটারে ‘গোলাবর্ষণ’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মঙ্গলবার হঠাৎই তাঁর টুইট, ‘মার্কিন পণ্যের উপর যথেচ্ছ শুল্ক বসিয়ে দীর্ঘ সময় তুরীয় সুযোগ নিয়েছে ভারত। ফের ভারতের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে টুইটারে ‘গোলাবর্ষণ’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মঙ্গলবার হঠাৎই তাঁর টুইট, ‘মার্কিন পণ্যের উপর যথেচ্ছ শুল্ক বসিয়ে দীর্ঘ সময় তুরীয় সুযোগ নিয়েছে ভারত। এখন আর সে সব চলবে না।’ উল্লেখ্য, বাণিজ্য নিয়ে কথা বলতেই আগামী সপ্তাহে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদের (ইউএসটিআর) দু’জন আধিকারিকের নয়াদিল্লিতে আসার কথা। এতেই শেষ নয়। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই মার্কিন বাণিজ্য সচিব উইলবার রস এবং শক্তিসচিব রিক পেরি ওয়াশিংটন ডিসি-তে একটি ভারতকেন্দ্রিক কনফারেন্সে বক্তৃতা দেবেন। তার আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন মন্তব্য সম্ভবত আমেরিকার অবস্থানের মূল সুরটি বেঁধে দিল।

হেলথ টিপস পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এত দিনে অবশ্য মোটামুটি সকলেরই জানা। এবং সেই নীতির প্রয়োগের ক্ষেত্রে তিনি যে ভারতকেও ছেড়ে কথা বলবেন না, তা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারতকে ‘শুল্কসম্রাট’ বলে কটাক্ষ করে অভিযোগ করেছিলেন, মার্কিন পণ্যের উপর অস্বাভাবিক হারে শুল্ক চাপায় ভারত। সম্প্রতি জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত জি-২০ শীর্ষবৈঠকের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যনীতি নিয়ে কথা বলার আগেও তিনি টুইট করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারে আমি খুবই উৎসাহী কারণ ভারত বহু বছর ধরে মার্কিন পণ্যের উপর অস্বাভাবিক হারে শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে যা সম্প্রতি আবার বাড়িয়েছে তারা। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। শুল্ক কমাতে হবে।’

হেলথ টিপস পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

ট্রাম্প-মোদী সাক্ষাতের পর সিদ্ধান্ত হয়, শীঘ্রই দু’দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীরা দেখা করবেন। তার পরেই এই টুইট। বস্তুত এই শুল্ক-প্রতিযোগিতা গত কয়েক বছর ধরেই চলছে দু’দেশের মধ্যে। ট্রাম্পের বিরোধিতার মুখে পড়ে গত ফেব্রুয়ারিতে হার্লে-ডেভিডসনের মতো মোটরসাইকেলের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে দিয়েছিল ভারত। কিন্তু আমেরিকা, ভারতের কিছু স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ালে গত জুনে নয়াদিল্লি ফের বেশ কিছু মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক বলবৎ করে। তাতে বেজায় চটেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য, মোদীর দ্বিতীয় দফার প্রধানমন্ত্রিত্ব শুরু হওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ‘স্পেশ্যাল ট্রেড প্রিভিলেজেস’-ও কেড়ে নিয়েছিল। কারণ ট্রাম্পের ক্ষোভ ছিল, ভারতের বাজার মার্কিন সংস্থাগুলির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়নি। বিডিটুডেস/আরএ/১০ জুলাই, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ten − 7 =