English Version

মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে শতাধিক লিচু বাগান

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

আঃ খালেক মন্ডল, গাইবান্ধা: গোবিন্দগঞ্জে লিচু বাগানগুলোতে মুকুল আসার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। তাদের আশা, গত বছর লিচু বিক্রি করে যে লোকসান হয়েছিল তা এ বছর পুষিয়ে উঠবেন। এরই মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকার লিচু বাগানের গাছগুলো ছেয়ে গেছে মুকুলে মুকুলে। তবে কৃষকরা বলছেন- চলতি বছর একটু আগেই মুকুল এসেছে।

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন বলেন, চলতি বছরে এ উপজেলার দশ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হয়েছে। বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-থ্রি, বেদেনা, কাঠালী, হাড়িয়া সহ কয়েক জাতের লিচুর ফলন ভালো হয়। পরিপক্ক মৌসুমে এসব লিচু, ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

সাধারণত মার্চ মাসের প্রথম দিকে লিচু গাছে মুকুল আসতে শুরু করে। আর লিচুর মুকুল ফুটে মার্চের মাঝামাঝি সময়ের পরে। তবে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৫ দিন আগেই মুকুল এসেছে। কৃষকরা এবার ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দামেরও আশা করছেন। গত বছরে যে সময় লিচু পরিপক্ক হয়ে বাজারে উঠেছিল ওই সময়টা ছিল রমজান মাস। তাই অনেকেই আশানুরুপ দাম পাননি, অনেকেই সে বার লোকসান গুণেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের লিচু চাষি মোকলেছুর রহমান বলেন, লিচুর মুকুল থেকে ফুল ফুটতে প্রায় ১৫ দিন সময় লাগে। সেই ফুল থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ লিচুর আকার পেতে সময় লাগে আরও ৩০ দিন। সেই আকার থেকে পরিপক্ক হয়ে বাজারজাত করতে সময় লাগে ৩৫ থেকে ৪৫ দিন। মুকুল থেকে বাজারজাত করা পর্যন্ত লিচুর জাত ভেদে প্রায় তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগে।

সে আরো বলেন মুকুল আসার সঙ্গে সঙ্গেই পরিচর্যা শুরু করেছি, সেচ দিয়েছি। সারের পাশাপাশি কীটনাশক ও বালাইনাশকও প্রয়োগ করেছি।এ বছর হয়তো লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো। এ ছাড়া এবার ভাল দাম পাওয়া যাবে, কারণ এবছর লিচু রমজানের পরে বাজারে আসবে। বিডিটুডেস/এএনবি/ ২৪ মার্চ, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

15 − seven =