English Version

রামগড়ে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২২টি গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা, রামগড় (খাগড়াছড়ি): জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল দেশের কোনো মানুষ আশ্রয়হীন থাকবে না। পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের গৃহহীন-ভূমিহীনদের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ উপহার দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা ছিলেন ভূমিহীন-গৃহহীন, তারাই এবার পেতে যাচ্ছেন আধাপাকা বাড়ি।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর রামগড়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ২২টি পরিবারকে ঘরের চাবি ও জমির দলিল তুলে দেন আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার ফারুক, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আহসান উল্ল্যাহ,

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: মোস্তফা হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. নুরুল আলম আলমগীর, পৌর আ.লীগের সভাপতি মো. রফিকুল আলম কামাল, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের সহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও উপকারভোগি পরিবারবর্গ।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, সারাদেশে একযোগে এত ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে জমি ও ঘর করে দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে এটিই প্রথম। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের ঐতিহাসিক উপলক্ষ সামনে রেখে সরকার ঘোষণা করে ‘মুজিববর্ষ’। এই মুজিববর্ষেই দেশের গৃহহীন মানুষদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সে অনুযায়ী প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ক্রমান্বয়ে তালিকানুযায়ী সবাইকে জমি ও ঘর দেয়া হবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ‘দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা-২০২০’ প্রণয়ন করা হয়।

গত বছরের জুন মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর দেশজুড়ে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। এদিন ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবারকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিডিটুডেস/এএনবি/ ২৩ জানুয়ারি, ২০২১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × 1 =