English Version

সন্দেহযুক্ত দিবসে সিয়াম পালন নিষেধ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: (১) সিলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু- এর নিকট ছিলাম। সেখানে একটি ভুনা ছাগল পেশ করা হলে তিনি বললেন: ‘তোমরা খাও।’ সেখানকার কোনো এক লোক (রোযা থাকার কারণে) তা খাওয়া হতে বিরত রইলো। সে বললো, ‘আমি রোযাদার।’ তখন আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যে ব্যক্তি এ সন্দেহপূর্ণ দিবসে রোযা রাখলো, সে তো আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাফরমানী করেছে। হাদিসের মানঃ সহিহ।

(২)সিমাক ইবনু হারব রাহি. বলেন, আমি একদিন সকালে (ঘুম থেকে) জেগে উঠার পর আমার সন্দেহ হলো সেদিনটি শাবান মাসের নাকি রমযান মাসের। ফলে সকালে উঠেই আমি সেদিন রোযা রাখলাম। এরপর আমি ইকরিমা রাহি. এর নিকট আসলাম, তখন তিনি রুটি ও সবজি খাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি আমাকে বললেন, এসো, সকালের নাস্তা কর।

তখন আমি বললাম, আমি রোযাদার। তখন তিনি বললেন, আমি আল্লাহর নামে কসম করে বলছি, তুমি অবশ্যই রোযা ভঙ্গ করবে।’ এরপর আমি যখন দেখলাম, তিনি কসম করছেন, কিন্তু ‘ইনশা আল্লাহ’ও বলছেন না, তখন আমি সামনে এগিয়ে গেলাম এবং (রোযা রাখার) অজুহাত পেশ করলাম; আর আমি তো এর কিছুক্ষণ পূর্বে সাহারী খেয়েছিলাম। অতঃপর তাঁকে বললাম: ‘এখন আপনার নিকট এ বিষয়ে কী প্রমাণ আছে নিয়ে আসেন।’

তখন তিনি বললেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “(রামাযানের) চাঁদ দেখে তোমরা রোযা রাখবে এবং (শাওয়ালের) চাঁদ দেখে রোযা ভঙ্গ করবে। আর যদি তোমাদের ও চাঁদের মাঝে মেঘ (প্রতিবন্ধকরূপে) থাকে, (অর্থাৎ এসময় মেঘের কারণে চাঁদ দেখতে না পাও), তবে ত্রিশ দিন মেয়াদ পূর্ণ করবে। (রমযান) মাস আসার পূর্বেই তোমরা একে স্বাগত জানাবে না (এগিয়ে আনবে না)।” হাদিসের মানঃ সহিহ, বিডিটুডেস/এএনবি/ ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × 2 =