English Version

১১ বছরের উত্তম- মা সহ সন্তানকে যেভাবে বাঁচালেন!

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিডিটুডেস ডেস্ক: অসমে ১১ বছরের এক কিশোর হিরোর সম্মান পাচ্ছে। এক মহিলা ও তাঁর শিশুকন্যাকে প্রাণে বাঁচিয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের কিশোর উত্তম তাঁতি। সাহসিকতার জন্য জাতীয় পুরষ্কার যাতে আদিবাসী কিশোরটি পায়, তার উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল পর্যন্ত কিশোরটির সাহসিকতায় মুগ্ধ। তিনি টুইট করেছেন, ‘‌সোনিতপুরের মিশামারির ১১ বছরের কিশোর উত্তম তাঁতির সাহসিকতা দেখে আমি গর্বিত। কোনও শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না।

নদীতে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে এক মহিলা ও তাঁর শিশুকন্যাকে বাঁচিয়েছে কিশোরটি।’‌  জানা গেছে গত রবিবার স্থানীয় গৃহবধূ অঞ্জলি (‌৩৫)‌ শ্বশুরবাড়ি থেকে ঝামেলা করে দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। চলে আসেন নদীর পাড়ে। আচমকাই দুই কন্যাকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন। তখন নদীর পাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল উত্তম। এই ঘটনা দেখে সঙ্গে সঙ্গে উত্তম নদীতে ঝাঁপ দেয়। অঞ্জলি ও তাঁর এক কন্যা রিয়া (‌৬)‌–কে সে উদ্ধার করে। কিন্তু ১৮ মাসের শিশুকন্যা দীপ্তাকে বাঁচাতে পারেনি উত্তম।

হেলথ টিপস পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

বেশ কিছুক্ষণ পর তাঁর মৃতদেহ ভেসে ওঠে।  পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র উত্তমকে বৃহস্পতিবার সংবর্ধনা দিয়েছে সোনিতপুর জেলা প্রশাসন। তাঁকে একটি সাইকেল উপহার দেওয়া হয়। আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সোনিতপুরের জেলাশাসক নরসিং পাওয়ার বলেছেন, ‘‌ছেলেটি সাহসী। ও বলেছে, নদীতে ওই মহিলা ও শিশুকন্যাদের ডুবতে দেখেই ঝাঁপ দিয়েছিল। জীবন বাঁচিয়েছে। কিশোরটির পরিবার গরীব। সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যের বিষয়টি দেখা হচ্ছে। সাহসিকতার পুরষ্কারের জন্যও কেন্দ্রের কাছে উত্তমের নাম পাঠানো হবে।’‌  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উত্তম জানিয়েছে, বড় হয়ে সে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায়। তাঁর পড়াশোনার খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জেলাশাসক। বিডিটুডেস/আরএ/১২ জুলাই, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

7 + 17 =